ব্রুনেই টুরিস্ট ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য।
নিজে নিজে ব্রুনেই টুরিস্ট ভিসা করুন।
১ম ধাপঃ
★ নিচে দেয়া লিংক থেকে ব্রুনেই ভিসা আবেদন ফর্ম-টি ডাউনলোড করে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য দিয়ে সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করুন।
https://www.mfa.gov.bn/bangladesh-dhaka/Shared%20Documents/Editable%20Visa%20Application%20Form%20-%20Brunei%2029092024.pdf
★ ফর্ম-টি হাতে না লিখে, কম্পিউটার এর মাধ্যমে পূরণ করুন।
#বিস্তারিত জানতে নিচের লিংক গুলো-তে প্রবেশ করতে পারেন ~
dhaka.bangladesh@mfa.gov.bn
bruhcomm@bruneihcbd.com
consular@bruneihcbd.com
# প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ~
★ জাতীয় পরিচয়পত্রের রঙিন ফটোকপি। ট্রান্সলেট এবং নোটারাইজড।
★ জর্ন্ম নিবন্ধন এর রঙ্গিন ফটোকপি। ইংরেজি-তে না থাকলে ট্রান্সলেট এবং নোটারাইজড করে দিতে হবে।
★ বিগত দশ (১০) বছরের মধ্যে ব্যাবহার করা পুরনো সকল পাসপোর্ট সহ বর্তমানে মিনিমাম ছয় (৬) মাসের মেয়াদ এবং (৪) চারটি খালি পাতা সম্বলিত পাসপোর্ট।
★ সকল পাসপোর্ট এর রঙিন ফটোকপি, হোটেল বুকিং এর রঙিন ফটোকপি, বিমান টিকেট (লাইভ) বুকিং এর রঙিন ফটোকপি।
★ পূর্বে ব্যাবহার করা সকল ই-ভিসা'র রঙিন ফটোকপি।
★ দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ম্যাট পেপার, ল্যাবপ্রিন্ট সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড এর রঙিন ছবি।
★ ট্রাভেল আইটিনারি, কাভার লেটার। মনে রাখবেন~ হোটেল বুকিং, বিমান টিকেট এবং ট্রাভেল আইটিনারি'র মধ্যে যেন মিল থাকে।
★ ব্যাবসায়ির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান এবং পারসোনাল সেভিংস একাউন্ট এর অরিজিনাল ব্যাংক সলভেন্সি ও ছয় (৬) মাসের ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট (জনপ্রতি মিনিমাম তিন লক্ষ টাকা জমা থাকতে হবে)।
★ চাকুরিজীবী'র ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পারসোনাল সেভিংস একাউন্ট এর-টা দিলেই হবে।
★ যে এ্যাকাউন্ট গুলোর স্ট্যাটমেন্ট জমা দিবেন সেই এ্যাকাউন্ট গুলোর অরিজিনাল চেকবই এবং এটিএম কার্ড নিয়ে যেতে হবে। এগুলো দেখে ফেরত দিয়ে দেয়।
★ ব্যাবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর রঙিন ফটোকপি, টিআইএন সার্টিফিকেট এর রঙিন ফটোকপি।
★ চাকুরীজীবি'র ক্ষেত্রে এনওসি লেটার এর রঙিন ফটোকপি, সেলারি সার্টিফিকেট এর রঙিন ফটোকপি।
★ স্বামী স্ত্রী একসাথে ভিসা নিতে চাইলে অবশ্যই স্বামী'র পাসপোর্টে স্ত্রী'র নাম এবং স্ত্রী'র পাসপোর্টে স্বামী'র নাম সঠিকভাবে লিখা থাকতে হবে। অন্যথায় নামের অমিলের জন্য এভিডেভিড এবং নাম না থাকার জন্য মেরিজ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক।
### মনে রাখবেন সকল এ্যাম্বেসি-তে জমা করার জন্য সমস্ত ডকুমেন্টস ইংরেজিতে হওয়া উচিৎ। তাই ভিন্ন ভাষার সকল ডকুমেন্টস সরকার অনুমোদিত অনুবাদকের দ্বারা অনুবাদ এবং উকিল দ্বারা নোটারাইজড করে নিবেন।
২য় ধাপঃ
★ সরকারি ছুটি ব্যাতিত যেকোন দিন সকাল (৯) নয়টা নাগাদ নিচে দেয়া ঠিকানা মোতাবেক ব্রুনেই দূতাবাসে চলে যান।
★ ভিসা জমা দেওয়ার সময় -
সকাল সাড়ে নয়টা থেকে থেকে দুপুর সাড়ে এগারোটা -
(০৯:৩০ থেকে ১১:৩০)
★ ব্রুনেই এ্যাম্বেসি'র ঠিকানা ~
বাড়ী নং- ২৬, রোড নং- ০৬, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা- ১২১২
★ এ্যাম্বেসি'র ভিতরে প্রবেশ করে, নির্ধারিত রুমে সিরিয়াল এর জন্য অপেক্ষা করুন।
★ ভিতরের কাউন্টারে ভিসা'র জন্য পাসপোর্ট + ডকুমেন্টস জমা নিয়ে থাকে। সামনের কাউন্টার থেকে পাসপোর্ট/ভিসা ডেলিভারি করা হয়।
★ সাধারণ কিছু প্রশ্ন করতে পারে। নির্ভয়ে জবাব দিন।
ইংরেজি না জানলে বাংলায় বলুন। বর্তমানে যিনি ডকুমেন্টস গ্রহণ করছেন, উনি বাংলাদেশী।
★ সব কিছু ঠিক থাকলে ভিসা ফি - এক হাজার চারশো (১৪০০) টাকা জমা নিয়ে, আপনাকে তৃতীয় ছবির মতো একটি জমা রশিদ দিয়ে দিবে।
★ ঝামেলা এড়াতে - (১৪০০) টাকা খুচরা নিয়ে যাবেন।
★ ব্রুনেই ভিসার আবেদন জমা নিলে সাধারণত ভিসা হয়ে যায়। কারণ ভিসা না হওয়ার মতো ডকুমেন্টস উনারা জমা-ই নেয় না।
৩য় ধাপঃ
★ জমা রশিদে উল্লেখিত তারিখে অথবা তার পরে, জমা রশিদ-টি নিয়ে চলে যান ব্রুনেই এ্যাম্বেসি-তে।
★ পাসপোর্ট/ভিসা ডেলিভারী করার সময় দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা।
★ ইন্শাআল্লাহ্ প্রথম ছবির মতো তিন (৩) মাস মেয়াদি টুরিস্ট (সিল) ভিসা পেয়ে যাবেন।
★ তৃতীয় ছবির মতো জমা রশিদ-টি রেখে, দ্বিতীয় ছবির মতো একটি টুকেন ও দিয়ে দিবে।
★ এখন তিন (৩) মাসের মধ্যে যেকোনো সময় টিকেট কেটে ঘুরে আসতে পারেন অনেক সুন্দর একটি মুসলিম প্রধান দেশ ব্রুনেই থেকে।
এক সঙ্গে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনেই ভ্রমণের পরিকল্পনা রাখতে পারেন, সেক্ষেত্রে দুই/তিন/চার দেশের হিসেবে তুলনামূলক খরচ কম পরবে।
পরিশেষে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার এবং পেইজটি-ফলো করার অনুরোধ করছি।